Long tail pro এর বর্তমান ম্যাট্রিক্সগুলো নিয়ে ব্যাসিক আইডিয়া

লং টেইল প্রো আপডেটের পর স্ট্যান্ডার্ট মেট্রিক্স কি হবে এটা নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে ।
বড় গুরুরা এখনও এসব নিয়ে বিস্তারিত লেখেন নাই বা আমি পড়ি নাই । সুতরাং এই আপডেটের পর আমি যেভাবে সব ক্রাইটেরিয়া ব্যবহার করি তা বিস্তারিত তুলে ধরলাম । মনে রাখবেন এখানে আমি শুধু আপনাদের ধারনা পরিষ্কার করার চেষ্টা করেছি এবং আপনি এইটা থেকে পরিষ্কার ধারনা পেলে নিজের মত করে সব ম্যাট্রিক্স চিন্তা করে নিবেন…….
১) Keyword competitiveness: মোটামুটি আপডেটের পর সবাই জানি এটার এভারেজ ৩০ বা এর কম হওয়া ভাল । তবে ১০ টা ওয়েবসাইটের লিংকই চেক করে দেখুন ৪০ এর উপরে কয়টা আছে আর ২০-৩০ বা এর নীচে কয়টা আছে । ৩০ এর নীচে যদি ৪-৫ টা ওয়েবসাইট পান আপনি সহজেই তাদের বিট করতে পারবেন । এটা খুব ভাল । তবে ১ম ও ২য় ওয়েবসাইটটা ভাল করে দেখবেন ।
১ম ও ২য় ওয়েবসাইট এর কিওয়ার্ড কম্পিটিভনেস ৫০+ থাকলে আপনার না আগানোই ভাল যদি এভারেজও কম্পিটিভনেস ৩০ এর নীচে থাকে । মানে ১ ও ২ নয় ডোমেইন যদি খুব শক্তিশালী হয় সেই কিওয়ার্ড বাদ ।
২) Trust Flow: এটার এভারেজ আমি দেখি না বরং ম্যানুয়ালী চেক করি । Trust Flow কি ? অথোরিটি টাইপের মত বড় বড় ওয়েবসাইট থেকে ব্যাকলিংক পেলে এই ট্রাস্ট ফ্লো অনেক বেশী হবে । আর টপ টেনের মধ্যে ৪-৫ টার বেশী ভাল ট্রাস্ট ফ্লোওয়ালা ওয়েবসাইট না পাওয়ারই কথা । যদি ১, ২ এবং ৩ নাম্বার ওয়েবসাইটের ট্রাস্ট ফ্লো ৩০+ হয় তবে তাদের বিট করা কষ্টকর হবে আপনার জন্য কিংবা আপনারও অথোরিটি সাইটের ব্যাংকলিংক লাগবে তাদের বিট করতে । মনে রাখবেন, গুগল লাব ডিস অথোটিরি ব্যাকল্যাংক টাইপ সাইট ।
৩) Citation Flow: এইটা ঐ পেজের টোটাল ব্যাকলিংক এর উপর নির্ভর করে হয় । আপনি যত ব্যাকলিংক বাড়াবেন তত সাইটেসন ফ্লো বাড়বে আপনার পেজের । এইটার এভারেজ ১৫-২৫ এর নীচে থাকলে আমি ঐ কিওয়ার্ড নিয়ে ভাবি ।
৪) Domain CF: ৩ নং এ যা বলছি তাই । শুধু এইটা পুরা ডোমেইন ভিত্তিক ডাটা হবে । আমার কাছে এভারেজ ৩০ এর নীচে থাকলে ভাল লাগে ।
৫) Domain TF: ২ নং এ যা বলছি তাই । তবে ঐ মেট্রিক্সটা ছিল শুধুমাত্র ঐ নির্দিষ্ট পেজের জন্য আর এটা সম্পূর্ন ডোমেইনে কত তা । আমার কাছে এভারেজ ৩০ এর নীচে থাকলে ভাল লাগে ।
৬) External Backlinks: কম্পিটিটররা কত শক্তিশালী তাদের ব্যাকলিংকের এই সংখ্যা দেখলেই ধারনা করতে পারবেন । যত বেশী ব্যাকলিংক তত খারাপ আপনার জন্য । এভারেজ? এটা আপনি ভাবুন কতটা ব্যাকলিংক আপনি তৈরী করতে পারবেন । তার এভারেজ এর সাথে মিলে গেলে গুড টু গো ।
৭) Referring Domain: ৬ নং ম্যাট্রিক্স মূল্যহীন হবে যদি রেফানিং ডোমেইন ভালভাবে দেখেন । কেউ যদি ৫ টা ডোমেইন থেকে ৫০ টা ব্যাকলিংক নেয় সেটা ৬ নং মেক্ট্রিক্সে ৫০ ই দেখাবে । কিন্তু ৫ টা ডোমেইন থেকে এত ব্যাকলিংক নিয়ে তেমন লাভ হয় না । সুতরাং রেফারিং ডোমেইন খুব ইম্পরটেন্ট ব্যাকলিংক হিসাব করতে ।
৮) EDU/GOV Backlinks: .edu/.gov ডোমেইন থেকে যত ব্যাকলিংক নেওয়া হইছে । এইটা প্রায় সময় শুন্যই পাবেন কেননা আমাদের নিশ রিলেটেড .edu/.gov ডোমেইন না পাওয়ারই কথা যে ব্যাকলিংক নিবে ।
৯) Internal links: আপনি একপেজের সাথে আরেক পেজে ইন্টারনালি যত লিংক করছেন । এইটা কোন কাজের না তবে ওনপেজ এসইও এর জন্য ভাল ।
১০) Index Url: এইটার এভারেজ চিন্তা করলে পাগল হয়ে যাবেন…:p আপনি দেখবে ৫০০ এর নীচে কয়টা ওয়েবসাইট আছে । আমার দেখা মতে ৫০০ এর নিচে ইনডেক্স ইউআরএল মানে ৫০-৭০ টা পোস্ট আছে ঐ ওয়েবসাইটে । তবে এসইও এর কাছে এই ম্যাট্রিক্স তেমন কাজে লাগবে না ।
১১) Site Age: সাইটের বয়স ৩ বছরের নীচে যত থাকবে তত ভাল । মিনিমাম ৩ টা এমন ওয়েবসাইট না পেলে আমার মতে, আগাবেন না কখনই ঐ কিওয়ার্ড নিয়ে । নইলে আপনি বুড়া হয়ে যাবেন কিন্তু র‌্যাংক আর হবে না…..:p
বি.দ্র: এই ডক আমার অনুমতি ছাড়া কেউ এডিট করবেন না । কোন প্রশ্ন থাকলে নীচে কমেন্ট করুন ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *