স্যাচুরেটেড নিশ মার্কেট – আমার কি কাজ করার সুযোগ আছে?

অ্যামাজনে বাংলাদেশি সহ আরও বিভিন্ন দেশের মানুষের দারুণ সাফল্যের কারণে অনেকেই এখন অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েশনের দিকে ঝুকছে।

সেটার ফল স্বরুপ নিশ রিসার্চ করতে গেলে দেখা যায়, কম বেশি সব নিশেই কেউ না কেউ আছেই।

এ থেকে মনে হতেই পারে যে, এতো এতো মার্কেটারের ভিড়ে আমার কি সুযোগ হবে?

মার্কেট কি তাহলে ফুরিয়ে গেলো?

আমার কি কিছু হবেনা ফ্রান্স, বেলজিয়াম?

সোজা বাংলায় উত্তর হচ্ছে – অবশ্যই অবশ্যই সুযোগ আছে। নতুনদের জন্যেও আছে, পুরনোদের জন্যেও আছে।

কিভাবে?

এখনো আন-ডিসকভার্ড এমন অনেক নিশ রয়েছে যেগুলোতে একটিও নিশ সাইট নেই। এই জাতীয় কিছু পাওয়া আসলে অনেক দীর্ঘ সময়ের ব্যাপার এবং ক্ষেত্রবিশেষে গতানুগতিক পদ্ধতির বাহিরেও একটু খোঁজার প্রয়াস চালাতে হবে।

কিভাবে নিশ আইডিয়া পেতে পারেন সেটা নিয়ে নিশ সাইট স্টার্ট আপ এর প্রথম পর্বে আলোচনা করেছিলাম। সেটা দেখে নিতে পারেন।

এছাড়াও এমন অনেক বিষয় আছে যেগুলোতে মানুষ কম কাজ করেছে বা যারা কাজ করেছে তারা অতোটা শক্তিশালী না। সেগুলো নিয়েও কাজ করার সুযোগ আছে।

দ্বিতীয় যে বিষয়টা বললাম, এটা পাওয়ার সুযোগটাই তুলনামূলক বেশি।

এক্ষেত্রে একটা বিষয় মাথায় রাখবেন –

কে আগে কাজ করেছে সেটা গুরুত্বপূর্ণ না, গুরুত্বপূর্ণ কে কাজটা যোগ্যতার সাথে ভালোভাবে করেছে

এই ভিডিওটি হয়তো কিছুটা অনুপ্রেরণার খোঁড়াক হতে পারে। মূল ভিডিওটি এমবেড করা যাচ্ছেনা, তাই একই ভিডিও অন্য একটি এমবেড করে দিলাম –

আগে কেউ এই নিশে কাজ করেছে, র‍্যাঙ্ক করে আছে মানেই যে আপনি পারবেন না বা আপনার সুযোগ নেই এমনটা ভাবা ভুল।

আপনি একটু খুঁজলেই হয়তো তার ল্যাকিংসগুলো পেয়ে যাবেন। আপনি যদি তার ভুলগুলোকে এড়িয়ে তার থেকে ভালো কাজ করতে পারেন অবশ্যই আপনার জন্যে সুযোগ আছে এই ফিল্ডে।

উপরে যে দু’টো বিষয়ে বললাম এছাড়াও অফুরন্ত সুযোগ আছে। তবে সেক্ষেত্রে খরচের পরিমাণ বেশি হবে। প্রতিটা নিশেই অনেক অনেক লং টেইল কিওয়ার্ডস আছে, যেগুলোর সার্চ ভলিউম কম হলেও কম্পিটিশন একদম নেই বললেই চলে।

সেগুলোতে খুব সহজেই ১৫০০-২০০০ শব্দের কোয়ালিটি আর্টিকেল দিয়ে র‍্যাঙ্ক করে ফেলা যাবে।

৫০-৭০ সার্চ ভলিউমের কিওয়ার্ড এর জন্যে ১৫০০-২০০০ শব্দ বেশি মনে হলেও আমার কখনোই মনে হয়না প্যাসিভ ইনকামের একটা দারুণ ওয়ে হিসেবে এটা খুব বেশি কিছু। (৫০-৭০ই হতে হবে এমন না, বেশি-কমও হতে পারে)

এর জন্যে যা খরচ হবে, কিওয়ার্ডটি র‍্যাঙ্ক করে থাকলে ১-২ মাসেই সেই খরচ পুষিয়ে আনতে পারবেন।

এরকম অল্প সার্চ ভলিউমের অনেকগুলো কিওয়ার্ড টার্গেট করে কাজ করলেও র‍্যাংকিং এবং ইনকাম খুবই সহজ।

বড় সার্চ ভলিউমের কিওয়ার্ড কে মূল কিওয়ার্ড হিসেবে নিয়ে পাশাপাশি মাঝারী সার্চ ভলিউমের লং টেইল কিওয়ার্ড নিয়ে কম-বেশি সবাই কাজ করছেন।

এর মধ্যে অল্প সার্চ ভলিউমের কিওয়ার্ডগুলোকে অনেকেই গুরুত্ব দিচ্ছেনা। তাই বেশিরভাগক্ষেত্রেই এগুলোর জন্যে কম্পিটিশন কম।

ওভারঅল চিন্তা করলে বড় কিওয়ার্ড নিয়ে + ছোটগুলো নিয়ে কাজ করাটাই বুদ্ধিমানের কাজ।

এরকম সুযোগ কম-বেশি সব নিশেই আছে।

আজ থেকে ৫ বছর আগেও ছিল, ৫ বছর পরেও এই সুযোগ থাকবে।।

সুযোগের কমতি নেই, শুধুমাত্র সময় নিয়ে সুযোগ টা বের করতে হবে এবং পর্যাপ্ত জ্ঞান নিয়ে সেটাকে কাজে লাগাতে হবে।

খেলা হবে…

#কুইট্টালান

সূত্র : আরিফুল ইসলাম পলাশ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *