অ্যামাজন নিশ সাইটের জন্যে প্রোডাক্ট ইমেইজ – করণীয় ও বর্জনীয়

বর্তমানে বেশ কিছু বিষয় নিয়ে অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটাররা দ্বিধার মধ্যে আছেন। তার মধ্যে প্রোডাক্ট এর ইমেইজ এর ব্যাপারটাও রয়েছে।

তাছাড়া, যারা নতুন কাজ শুরু করছেন – তারা জানেনই না যে কি করা যাবে আর কি করা যাবেনা। কোথা থেকে ইমেইজ নেয়া যাবে, কোথা থেকে যাবেনা।

সেই দ্বিধা কাটানোর জন্যেই মূলত এই আর্টিকেল টা প্রয়োজন মনে করলাম।

আমি আশাবাদী যে, এরপর আর কোন প্রশ্ন থাকবেনা। তারপরেও কারও মনে প্রশ্ন থাকলে আপনার জন্যে কমেন্ট সেকশন উন্মুক্ত।

প্রোডাক্টের ইমেইজ যেখান থেকে নেয়া যাবে

কোন প্রোডাক্টের রিভিউ পাবলিশ করার সময় ছবি যুক্ত করে দেয়াটা বাঞ্ছনীয়। ছবি ছাড়া কোনভাবেই রিভিউ পাবলিশ করা উচিৎ না।

তো, প্রশ্ন হলো এই ছবি আপনি পাবেন কোথায়?

যদি নিজে প্রোডাক্টটা কিনে নিয়ে বা রিভিউ এর জন্যে পেয়ে রিভিউ করতেন তাহলে আপনি নিজেই ছবি তুলে/ভিডিও করে সেটা দিতে পারতেন।

কিন্তু, আমাদের ক্ষেত্রে সেটা সম্ভব না।

তাই অনলাইনে যে রিসোর্স আছে, সেখানেই ভরসা করতে হবে।

অ্যামাজন এর প্রোডাক্ট এর ইমেইজ নেয়ার দু’টি সোর্স আছে-

  • অ্যামাজন এর প্রোডাক্টের ইমেইজ গ্যালারি
  • প্রোডাক্ট ম্যানুফ্যাকচারারের ওয়েবসাইট
ব্যবহারযোগ্য প্রোডাক্ট ইমেইজ

উপরোক্ত দু’টি সোর্স থেকে আপনি অনায়াসে প্রোডাক্টের ছবি নিয়ে ব্যবহার করতে পারবেন। অ্যামাজন এর নীতিগত কোন ঝামেলা নেই। গত কয়েকদিনে অনেকে সন্দিহান হয়ে গিয়েছেন যে অ্যামাজনের ছবি নেয়া যাবে কিনা।

সন্দীহান হওয়াটাকে খারাপ ভাবে দেখছিনা, তবে সঠিক তথ্য জেনে নেয়ার আগ্রহটা অনেকের মধ্যেই ছিলনা।

অ্যামাজন থেকেই সরাসরি প্রোডাক্টের ইমেইজ সহ অ্যাফিলিয়েট লিঙ্ক জেনারেট করা যায়। তাই বোঝাই যাচ্ছে এখানে নীতিগত কোন সমস্যায় পড়তে হবেনা আপনাকে।

আর আপনি যেহেতু কোম্পানীর প্রচারের জন্যে ৩০০ টাকার লাইট ৭০% ছাড়ে ১০০ টাকায় সেল করছেন* তাই কোম্পানীর ওয়েবসাইট থেকে ছবি সংগ্রহ করলেও কোন সমস্যা হবেনা।

*যারা ঢাকায় থাকেন, নিশ্চিতভাবেই বিষয়টা বুঝতে পেরেছেন। না পারলে এটা দেখুন।

প্রোডাক্ট ইমেইজ যেখান থেকে নেয়া যাবেনা

ছবি কোথা থেকে নেয়া যাবে, সেটা তো জানলেন। এবার কোথা থেকে নেয়া যাবেনা, সেটা জানাটাও গুরুত্বপূর্ণ।

অ্যামাজনের কাস্টমার রিভিউ সেকশনে যে ছবি আপলোড করা হয়, সেগুলো কোনভাবেই ব্যবহার করা যাবেনা।

ব্যবহার অযোগ্য প্রোডাক্ট ইমেইজ

এটি নীতিমালা বিরোধী, এর জন্যে ব্যান করে দেয়ার সমূহ সম্ভাবনা থাকে।

এছাড়া গুগল সার্চ করেও অনেকে প্রোডাক্টের ছবি নিয়ে সাইটে ব্যবহার করতে চান, সেটাও করা অনুচিত। কারণ সেই ছবি ওনার অ্যামাজন না, প্রোডাক্ট ম্যানুফ্যাকচারারও না। অন্য কেউ।

আর সেইফটি পারপাসে আরেকটি কাজ থেকে বিরত থাকবেন। আমি বলছিনা এটা করা যাবেনা। তারপরেও দূরে থাকা ভালো।

অ্যামাজনে কিছু প্রোডাক্টের ইমেইজের ক্ষেত্রে নিচের ছবির মতো থাকতে পারে; যেখানে টেক্সট এর পরিমাণ অনেক।

অযোগ্য ইমেইজ

অ্যামাজন থেকে ম্যানুয়াল রিভিউ করলে যদি সে ভাবে যে ছবিটি আপনি অ্যামাজন থেকে নিয়ে নিজে ম্যানুপুলেট করেছেন, তাহলে সমস্যা হবে। (যদিও ছবিটি অ্যামাজনেই আছে, তাও সেটা তার দৃষ্টিগোচর নাও হতে পারে)

আর কোনভাবেই অ্যামাজন থেকে ডাউনলোড করা প্রোডাক্টের ছবিতে কোন পরিবর্তন করবেন না। আপনি চাইলে ছবি রিসাইজ করতে পারেন। এর বাহিরে কিছু করার দরকার নেই।

ঠিক কোথায় দেখেছি, মনে করতে পারছিনা। তবে একজনকে ব্যান করা হয়েছিল ছবি অল্টার করার ইস্যুতে।

এই বিষয়টা যদিও সিরিয়াস না, একবার ছাড়া আর কোথাও দেখিনি। তারপরেও ঝামেলা এড়িয়ে চলা ভালো।

শেষ কথা

২৪ তারিখ থেকে পরীক্ষা, তারপরেও লিখাটা প্রয়োজন মনে হলো, তাই লিখে ফেললাম। আশা করি প্রযুক্তিগিকের পাঠকবৃন্দ এই ছোট্ট আর্টিকেল থেকে উপকৃত হতে পেরেছেন।

অনেক অনেক শুভকামনা সবার জন্যে।

সূত্র : আরিফুল ইসলাম পলাশ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *